দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হবিগঞ্জে লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে আটক হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজনকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়া অন্য দুজন হলেন মীর্জা সুমন ও রাজু। আটকের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর তারা মুক্তি পান।
জানা গেছে, অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ‘সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় নিয়ে যায়।
দীর্ঘ সময় তারা থানায় অবস্থান করায় বিষয়টি নিয়ে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। আটকের বিষয়টি জানতে ও খোঁজ নিতে ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে আসেন জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফারজানা আহমেদ।
মঙ্গলবার দুপুরে নানা আলোচনা ও নাটকীয়তার পর মুচলেকায় মাহদী হাসান, মীর্জা সুমন ও রাজুকে মুক্তি দেওয়া হয়।
তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়েছে কি না বা কী কারণে এত সময় থানায় রাখা হয়েছিল, জানতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এদিকে, মুক্তির পর বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
মাহদী হাসানসহ তিনজনের মুক্তির পর থানার ভেতর থেকে সাংবাদিকদের বের করে দেওয়া হলে তারা গেটে অবস্থান নেন। এ সময় কর্তব্যরত পুলিশের সঙ্গে সাংবাদিকদের অশোভন আচরণের অভিযোগে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
এমএম/